খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০ আশ্বিন, ১৪৩৩

কমিশন দাবির অভিযোগ, নান্দাইলের প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে তদন্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কমিশন দাবির অভিযোগ, নান্দাইলের প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে তদন্ত

নান্দাইল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ গোলাম কিবরিয়া পিয়াল

যোগফল প্রতিবেদন:

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ গোলাম কিবরিয়া পিয়ালের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের থেকে মোটা অঙ্কের অনৈতিক কমিশন দাবি, কাজ আটকে রাখা এবং লাইসেন্স বাতিলের হুমকির মতো মারাত্মক সব অনিয়ম ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ করা সত্ত্বেও বিল পেতে ঠিকাদারকে গুনতে হচ্ছে নির্ধারিত হারের কমিশন-এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যে এলজিইডি ও স্থানীয় ঠিকাদার মহলে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।

​ঘটনাটি আমলে নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অভিযুক্ত ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​অভিযোগের নেপথ্যে যা ঘটেছে:
​মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় নান্দাইল উপজেলার নারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দেউল ডাংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। নিয়মমাফিক প্রক্রিয়ায় কাজটি পান মেসার্স সাকিন কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

​প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফ উদ্দীন হিরা অভিযোগ করেন, কাজ তদারকি ও চলমান প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই নান্দাইল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ গোলাম কিবরিয়া পিয়াল নানা অজুহাতে স্বেচ্ছাচারিতা শুরু করেন। নির্মাণকাজ চলাকালেই মৌখিক ও বেআইনি আদেশে কাজ বন্ধ রাখার মতো ঘটনা ঘটানো হয়। পরবর্তীতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিলের আবেদন করলে প্রকৌশলী কিবরিয়া পিয়াল বিল পাসের বিনিময়ে মোট বরাদ্দের ৫ শতাংশ (৫%) অনৈতিক কমিশন দাবি করেন।

​ঠিকাদার মো. সাইফ উদ্দীন হিরা এই কমিশন দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুরু হয় বিপত্তি। অভিযোগ অনুযায়ী, কমিশন না দেওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঠিকাদারের পাওনা বিলের অর্থ আটকে রাখা হয়। শুধু তা-ই নয়, প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়াল ঠিকাদারকে ভবিষ্যতে আর কোনো কাজ না দেওয়া এবং সরকারি লাইসেন্স বাতিল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

​মন্ত্রণালযের তদন্তের নির্দেশ ও চিঠির বিবরণ:
​উপজেলা প্রকৌশলীর এমন টানা অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করে ভুক্তভোগী ঠিকাদার মেসার্স সাকিন কনস্ট্রাকশনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

​অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-১ শাখা থেকে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে:
১. উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়ালের বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে ৫% কমিশন দাবি ও হুমকি দেওয়ার বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে হবে।

২. মৌখিক আদেশে আইনবহির্ভূতভাবে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা এবং পাওনা অর্থ আটকে রেখে ঠিকাদারকে হয়রানি করার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে।

৩. পুরো বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে স্পষ্ট প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

​অভিযুক্ত প্রকৌশলীর বক্তব্য:
​অভিযোগের বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ গোলাম কিবরিয়া পিয়ালের মুঠোফোনে যোগফল’কে জানান, অভিযোগ হয়েছে , তদন্ত হবে, তারপর বিস্তারিত সত্য মিথ্যা সামনে আসবে। 

​স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে অসন্তোষ:
​নান্দাইলে এলজিইডির অধীনের উন্নয়নমূলক কাজে এমন অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে স্থানীয় অন্যান্য ঠিকাদারদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপজেলার বিভিন্ন অবকাঠামোগত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজে নানা অযুহাতে বিল আটকে রেখে কমিশন আদায়ের সংস্কৃতি বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে।

​আইনানুযায়ী তদন্ত শেষে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার ও স্থানীয় সচেতন মহল।

যোগফল ডেস্ক

এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ

ছবিতে রুপালী ইলিশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে ধরা পড়েছে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এসব মাছ নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরলে সাইফুল মৎস্য আড়তে দুপুর পর্যন্ত তিন ধাপে নিলামে প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।  

জানা যায়, হাতিয়ার জেলে আব্দুর রহিম মাঝি ১৮ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। সাগরে টানা ছয় দিন অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার সকালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে ফেরেন তারা। পরে মাছগুলো সাইফুল মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কিনে নেন। একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসাহ দেখা যায়।

স্থানীয় জেলেরা জানায়, একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় তারা উৎসাহিত হয়েছেন। সাগরে ইলিশের এমন প্রাচুর্য অব্যাহত থাকলে জেলেদের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় মাছের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, সাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা দরকার।  

যোগফল ডেস্ক 

বিশ্বনাথে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন সুমন মিয়া : সুশাসন ও পরিবর্তনের ডাক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বনাথে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন সুমন মিয়া : সুশাসন ও পরিবর্তনের ডাক
আফজাল মিয়া । ​বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ উপজেলার ৩নং অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বইতে শুরু করেছে পরিবর্তনের হাওয়া। সুদীর্ঘকালের প্রশাসনিক স্থবিরতা, উন্নয়ন-বৈষম্য ও জনদুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন, সুশাসিত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার সুদৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন উদীয়মান তরুণ সমাজসেবক মো: সুমন মিয়া।

​লালটেক গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ও মরহুম লিলু মিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি মো: সুমন মিয়া সুখে-দুঃখে বহুকাল ধরে অত্র অঞ্চলের মানুষের পাশে ছায়ার মতো রয়েছেন। কোনো নির্দিষ্ট দলীয় প্রতীকের বাঁধনে বন্দি না থেকে, এলাকার সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ, যুবসমাজের উৎসাহ এবং প্রবীণদের সুনির্দিষ্ট দোয়া-আশীর্বাদকে মূল শক্তি করে তিনি নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
  
​ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশে মো: সুমন মিয়া বলেন, “কোনো দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীকের বৃত্তে আমি নিজেকে বন্দি রাখতে চাই না। ৩নং অলংকারী ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থন, সেটিই হবে আমার রাজনীতির প্রধান শক্তি। আমি শাসক হতে আসিনি, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ফেরত দেওয়ার একজন নিষ্ঠাবান সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।”

​পছন্দের অলংকারী ইউনিয়নকে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে রূপান্তর করতে তিনি ৪টি বৈপ্লবিক সুশাসন রূপরেখা উন্মোচন করেছেন।  স্থানীয় সরকারের ইতিহাসে নতুন নজির স্থাপন করে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতি ৩ মাস পরপর ইউনিয়নের যাবতীয় আয়-ব্যয়, সরকারি অনুদান ও উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব জনসম্মুখে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

​ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়ন বৈষম্য দূর করতে ৯টি ওয়ার্ডের সম্মানিত মেম্বারদের হাতে তাদের স্ব-স্ব এলাকার প্রাপ্য সরকারি বরাদ্দ শতভাগ বুঝিয়ে দেওয়া হবে, যাতে প্রতিটি প্রান্তিক গ্রাম সমভাবে উন্নত হয়।

​ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ অবকাঠামো, সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার সমন্বয়ে অবহেলিত অলংকারীকে সিলেট জেলার অন্যতম সেরা দৃষ্টিনন্দন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা হবে।  
​যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনা হবে, যাতে বিশ্বনাথ উপজেলার মধ্যে অলংকারী ইউনিয়ন ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নে নম্বর ১ স্থান অর্জন করতে পারে।

​বর্তমানে ৩নং অলংকারী ইউনিয়নের প্রতিটি অলিগলি, হাটে-বাজারে ও চায়ের দোকানে সুমন মিয়াকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। এলাকার সুশীল সমাজ ও প্রবীণদের মতে—একজন শিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ও কর্মঠ তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমেই অলংকারীর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সুনিশ্চিত করা সম্ভব। নিজের এই জনকল্যাণমুখী রূপরেখা বাস্তবায়নে তিনি অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মূল্যবান পরামর্শ, সমর্থন ও আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

যোগফল ডেস্ক

গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা
সাইফুল ইসলাম । গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ জোবায়ের ভূঁইয়া (২২) নামে এক কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের পুখুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জোবায়ের ভূঁইয়া সদর উপজেলার ঘোড়াদাইড় গ্রামের রমজান ভূঁইয়ার ছেলে। সে  হাজী লালমিয়া সিটি কলেজের হিসাব বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

নিহতের চাচা মো. হামিম ভূঁইয়া জানান, সকালে কথা কাটাকাটির জেরে ওই গ্রামের শহিদ মোল্লার ছেলে সোহেলের নেতৃত্বে ৭/৮ জনের একদল যুবক জোবায়ের ভূঁইয়ার ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। তাদের বেধড়ক পিটুনিতে গুরুতর আহত অবস্থায় জোবায়েরকে ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। 

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

যোগফল